সেখানের চায়ের দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গতকাল সোমবার রাতে প্রক্টোরিয়াল দলের সদস্যরা এসে মঙ্গলবার (আজ) থেকে চায়ের দোকান খুলতে নিষেধ করেন। আজ সকালেও দোকান খুলতে এলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। বলা হয়, এখানে আর দোকান করা যাবে না।
কারণ জানতে চাইলে প্রক্টোরিয়াল দল কিছু জানায়নি বলে জানান দোকানিরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিএসসির পরিচালক এ এম মহিউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, এ ধরনের কোনো নির্দেশনার ব্যাপারে তিনি জানেন না।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রাব্বানী প্রথম আলোকে বলেন, শুধু টিএসসি চত্বরের চায়ের দোকানের বিষয়ে আলাদা কোনো নির্দেশনা নেই। ভাসমান দোকানগুলোতে নিম্নমানের চা ও খাবার পরিবেশন করা হয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এগুলো নিরাপত্তা ও জনস্বার্থবিরোধী।
দুপুরে এ বিষয়ে প্রথম আলো অনলাইনসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর বেলা দুইটার দিকে প্রক্টরিয়াল দলের সদস্যরা টিএসসিতে আসেন। তাঁদের অনুমতি নিয়ে দোকানিরা দোকান খোলা শুরু করেন।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর টিএসসির পরিচালক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রাত আটটার মধ্যে টিএসসির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়। প্রতিবাদ জানান সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ। তীব্র সমালোচনার মুখে সময় বেঁধে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তখন মৌখিকভাবে ওই বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা বাতিল করা হয়।

No comments:
Post a Comment